Evorti

গোপনীয়তা

এই প্রোডাক্ট শিশুদের তথ্য নিয়ে কাজ করে।

এজন্যই এই পাতাটি চেনা আইনি ভাষায় নয়, সহজ ভাষায় লেখা। নিচে আছে আসলে কী কী নেওয়া হয় এবং সেগুলোর কী হয়।

এটি প্রোডাক্ট কীভাবে চলে তার সহজ ভাষার সারাংশ, চূড়ান্ত আইনি দলিল নয়। পূর্ণ নীতিমালা আইনজীবীর সঙ্গে তৈরি হচ্ছে এবং প্ল্যাটফর্ম চালু হওয়ার আগেই প্রকাশ করা হবে।

কী কী নেওয়া হয়

শিক্ষার্থীর: নাম, জন্মতারিখ, জন্ম নিবন্ধন নম্বর, লিঙ্গ, ছবি আর প্রতিষ্ঠান যেসব কাগজ চায় সেগুলো। অভিভাবকের: নাম, গুগল দিয়ে যাচাই করা ইমেইল ঠিকানা আর মোবাইল নম্বর। আবেদনের: কোন শ্রেণিতে আবেদন, কোনো কোটা দাবি করা হলে তা, শ্রেণি অনুযায়ী প্রয়োজন হলে পূর্ববর্তী প্রতিষ্ঠান ও ফলাফল, এবং ফি পরিশোধের নথি।

কেন

আবেদনটি প্রতিষ্ঠানের সামনে পৌঁছে দিতে, প্রকাশিত পদ্ধতিতে আসন বরাদ্দ করতে, আর অভিভাবককে ফলাফল জানাতে। বিজ্ঞাপনের জন্য কিছুই নেওয়া হয় না, আর কিছুই বিক্রি করা হয় না।

কারা দেখতে পায়

যে প্রতিষ্ঠানে আবেদন করা হয়েছে, শুধু সেই প্রতিষ্ঠান। এগারোটি স্কুলে আবেদন করলে কেউই বাকি দশটির কথা দেখতে পায় না। Evorti-র কর্মীরা কোনো প্রতিষ্ঠানের তথ্যে যান কেবল সহায়তার অনুরোধের উত্তর দিতে, আর প্রতিবারই তা নিরীক্ষা লগে লেখা হয়।

কতদিন রাখা হয়

আবেদনকারীদের তথ্য রাখা হয় প্রতিষ্ঠানের চুক্তিতে লেখা সময় পর্যন্ত। নিরীক্ষা লগ — কে কী বদলালেন, কখন — প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্ট যতদিন থাকে ততদিন সংরক্ষিত থাকে, যাতে বছর কয়েক পরেও কোনো সিদ্ধান্তের জবাব দেওয়া যায়।

সংশোধন বা মুছে ফেলা

অভিভাবক নিজের ড্যাশবোর্ড থেকে তথ্য সংশোধন করতে পারেন, আর সন্তানের নথি মুছে ফেলার অনুরোধ করতে পারেন। যেসব তথ্যের নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান, সেই অনুরোধ তাদের মাধ্যমেই যায় — কোনটি কোন ক্ষেত্রে, তা আমরা জানিয়ে দেব।

আগামী ভর্তির মৌসুম অনলাইনে নিয়ে আসুন।

বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগেই আমরা আপনার ফরম, শ্রেণি, আসনসংখ্যা আর QR পোস্টার সাজিয়ে দিই। সেটআপে এক বিকেলের বেশি লাগে না, আর আপনার ভর্তি কমিটি আগের নিয়মেই কাজ চালিয়ে যেতে পারে।

আপনার নির্ধারিত আবেদন ফি ছাড়া অভিভাবককে Evorti-কে আর কিছু দিতে হয় না।

পাশাপাশি দাঁড়িয়ে একটি স্কুল, একটি মাদ্রাসা এবং একটি স্কুল ও কলেজ