প্রক্রিয়া
দেয়ালের একটি কোড থেকে
নিশ্চিত আসন পর্যন্ত।
পুরো প্রক্রিয়াটি, ঠিক যে ক্রমে একটি পরিবার সেটি পার হয় — আর প্রতিটি ধাপে প্রতিষ্ঠান কী দেখে।
অভিভাবকদের জন্য
ছয়টি ধাপ, বেশিরভাগই এক মিনিটের কম।
- ১
গেটের কোড স্ক্যান করুন
প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের একটিই কোড — নোটিশ বোর্ডে, বিজ্ঞপ্তিতে আর ফেসবুক পোস্টে ছাপা। স্ক্যান করলেই সরাসরি ওই প্রতিষ্ঠানের ভর্তি ফরম খোলে। মাঝখানে কোনো ল্যান্ডিং পেজ নেই, আগে অ্যাকাউন্ট খোলারও দরকার নেই।
- ২
ফরম পূরণ করুন
কোন কোন তথ্য লাগবে, কোন শ্রেণি খোলা থাকবে, কোটা কী হবে — সবই প্রতিষ্ঠান ঠিক করে। গুগল দিয়ে সাইন-ইন ফরমের ভেতরেই একটি সাধারণ ঘরের মতো বসে থাকে; এটি অভিভাবকের ইমেইল যাচাই করে তথ্য বসিয়ে দেয়, কখনোই ফরমের সামনে দেয়াল হয়ে দাঁড়ায় না।
৩টির মধ্যে ১ম ধাপ
শিক্ষার্থীর তথ্য
শিক্ষার্থীর পূর্ণ নাম
আরিজ করিম
জন্মতারিখ
০৪ / ০২ / ২০২১
বয়স (১ জানুয়ারি ২০২৭-এ)
৫ বছর ১০ মাস
জন্ম নিবন্ধন নম্বর
২০২১৮৭১৪৫৬৯৮৭৪৫২১
অভিভাবকের ইমেইল
rezaul.karim@gmail.com
গুগল দিয়ে যাচাই করা · পাসওয়ার্ড লাগে না
আবেদন করা হচ্ছে
প্রথম শ্রেণি, ২০২৭
পূর্ববর্তী ফলাফল
প্রথম শ্রেণিতে লাগে না
- ৩
আবেদন ফি দিন
ফরম জমা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিকাশ, নগদ বা কার্ডে ফি নেওয়া হয়। ফি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আবেদনটি খসড়া অবস্থায় থাকে এবং প্রতিষ্ঠানের তালিকায় ওঠে না — ফলে পরে আর অসম্পূর্ণ আবেদনের পেছনে ছুটতে হয় না।
আবেদন ফি
উত্তরা মডেল একাডেমি · প্রথম শ্রেণি, ২০২৭
এখন দিতে হবে৳৮০০- bKashসবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত
- Nagad
- কার্ডভিসা, মাস্টারকার্ড
ফি দেওয়া ব্যর্থ হলে আবেদনটি খসড়াই থেকে যায়। অসম্পূর্ণ কিছু প্রতিষ্ঠানের কাছে পৌঁছায় না।
- ৪
নিশ্চয়তাপত্র বুঝে নিন
প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব রঙে তৈরি একটি PDF অভিভাবকের ইনবক্সে পৌঁছায় এবং তাঁর ড্যাশবোর্ডে জমা থাকে। এতে সেই আবেদন নম্বরটি থাকে, যা গেটে চাওয়া হবে।
- ৫
একটি নোটিফিকেশনের অপেক্ষা
সময়সীমা পেরোলেই আসন বরাদ্দ হয় এবং ফলাফল একই মুহূর্তে অভিভাবকের ফোনে ও ইনবক্সে পৌঁছে যায় — প্রত্যেক আবেদনকারীর জন্য একই তথ্য, একই সময়ে।
Evorti
এইমাত্র
উত্তরা মডেল একাডেমি — আরিজ প্রথম শ্রেণিতে নির্বাচিত হয়েছে। লটারিতে অবস্থান ১২০-এর মধ্যে ৪১।
লটারি শেষ হওয়ার ঠিক সেই মুহূর্তেই অভিভাবকের ফোনে ও ইনবক্সে পাঠানো হয়।
- ৬
একটি প্রতিষ্ঠান বেছে নিন
সব ফলাফল একটি ড্যাশবোর্ডে আসে। অভিভাবক একটি প্রতিষ্ঠান নিশ্চিত করে সেখানে সাক্ষাতের তারিখ পাঠান। প্রতিষ্ঠানের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে অন্যত্র ধরে রাখা আসনগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রতিটি অপেক্ষমাণ তালিকার পরের জনের কাছে চলে যায়।
একই সময়ে, প্রতিষ্ঠানের ভেতরে
কোনো কিছুই কারও ডেস্কে বসার অপেক্ষায় থাকে না।
- ফি পরিশোধের সঙ্গে সঙ্গেই আবেদন আসে
- তালিকা সরাসরি ভরে ওঠে। কোনো ইমপোর্ট নেই, স্প্রেডশিট নেই, দিনশেষে হিসাব মেলানো নেই।
- কমিটি কাজ করে একসঙ্গে
- শ্রেণি অনুযায়ী ছেঁকে নিয়ে কয়েকশ সারি একসঙ্গে বেছে নিন, এক ক্লিকে অনুমোদিত, বাতিল বা বিবেচনাধীন করুন, আর পুরো তালিকা ব্র্যান্ড করা PDF হিসেবে নামিয়ে নিন।
- বরাদ্দ নিজে থেকেই চলে
- সময়সীমা শেষে প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণিতে লটারি হয়, আর পঞ্চম শ্রেণি ও তার উপরে আবেদন শুরুর আগে প্রকাশিত সূত্র অনুযায়ী ক্রম সাজে। এর জন্য কাউকে ডেস্কে বসে থাকতে হয় না।
- ছেড়ে দেওয়া আসন নিজেই ভরে ওঠে
- অভিভাবক অন্য কোথাও নিশ্চিত করলে আসনটি অপেক্ষমাণ তালিকায় ফিরে যায় এবং পরের প্রার্থীকে জানিয়ে দেওয়া হয় — কাউকে নতুন করে কিছু চালাতে হয় না।
যা আর থাকছে না
পাঁচটি কাজ, যা আর কাউকে করতে হবে না।
ভর্তির মৌসুম কঠিন হয় লাইন, ফটোকপি আর ফোনের পেছনে ছোটাছুটির কারণে — ফরম পূরণ করা কঠিন বলে নয়।
- ফরম দেখার আগেই অ্যাকাউন্ট খোলা
- প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের জন্য আলাদা জন্মনিবন্ধনের ফটোকপি
- জমা দিতে বা ফল নিতে লাইনে দাঁড়ানো
- ফল বেরিয়েছে কি না জানতে অফিসে ফোন করা
- একই সন্তানের তথ্য এগারোবার লেখা
জিজ্ঞাসা
যা সবচেয়ে বেশি জানতে চাওয়া হয়।
অভিভাবক যদি গুগল ব্যবহার না করেন?
তখন ইমেইলে ম্যাজিক লিংকের ব্যবস্থা আছে। একবার ব্যবহারযোগ্য একটি লিংক ইনবক্সে যায় এবং তাতেই সাইন-ইন হয়ে যায় — পাসওয়ার্ড মনে রাখার দরকার নেই, এসএমএস কোডের অপেক্ষাও নেই।
একজন অভিভাবক কি একাধিক সন্তানের জন্য আবেদন করতে পারেন?
পারেন। সন্তানেরা অভিভাবকের অ্যাকাউন্টের নিচে আলাদা প্রোফাইল হিসেবে থাকে, আর প্রত্যেকের আবেদন ড্যাশবোর্ডে আলাদা করে সাজানো থাকে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অভিভাবক সিদ্ধান্ত না নিলে কী হয়?
সময়সীমা প্রতিষ্ঠান নিজেই ঠিক করে — সাধারণভাবে ৭২ ঘণ্টা। নিশ্চিত না করে সময় পেরিয়ে গেলে আসনটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপেক্ষমাণ তালিকায় ছেড়ে দেওয়া হয়, আর তার আগে অভিভাবককে জানিয়ে দেওয়া হয়।
প্রতিষ্ঠান কি নিজের ফরমের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে?
পুরোপুরি। তথ্যের ঘর, শ্রেণি, কোটা, আসনসংখ্যা, ফি আর সময়সীমা — সবই প্রতিষ্ঠানের নিজের প্যানেল থেকে ঠিক হয়। কে যোগ্য তা Evorti ঠিক করে না; শুধু নিশ্চিত করে যে প্রকাশিত নিয়মটি অক্ষরে অক্ষরে মানা হয়েছে।
অভিভাবককে Evorti-কে কত দিতে হয়?
কিছুই না। অভিভাবক কেবল প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত আবেদন ফি দেন, আর সেই ফি প্রতিষ্ঠানের কাছেই যায়।
আগামী ভর্তির মৌসুম অনলাইনে নিয়ে আসুন।
বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগেই আমরা আপনার ফরম, শ্রেণি, আসনসংখ্যা আর QR পোস্টার সাজিয়ে দিই। সেটআপে এক বিকেলের বেশি লাগে না, আর আপনার ভর্তি কমিটি আগের নিয়মেই কাজ চালিয়ে যেতে পারে।
আপনার নির্ধারিত আবেদন ফি ছাড়া অভিভাবককে Evorti-কে আর কিছু দিতে হয় না।
