পরিচিতি
একটি সমস্যার জন্যই তৈরি।
বাংলাদেশে আসন বরাদ্দ হয় না, প্রায়ই বন্দোবস্ত হয় — এমনটাই ধরে নেওয়া হয়। Evorti যেখানে চলে সেখানে এই কাজটিকেই অসম্ভব করে তোলে, আর যিনি সন্দেহ করেন তিনিও যেন যাচাই করতে পারেন সেই ব্যবস্থা রাখে।
এটি যা করে
Evorti একটি প্রতিষ্ঠানের পুরো ভর্তির মৌসুম চালায় — নিজস্ব QR কোডে ফরম, ফি, আবেদনের প্যানেল, আর বরাদ্দটাও। প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণিতে লটারি হয়, আর পঞ্চম শ্রেণি ও তার উপরে আবেদন শুরুর আগে প্রতিষ্ঠানের প্রকাশ করা সূত্রে ক্রম সাজে।
এটি যা করতে অস্বীকার করে
প্রোডাক্টের কোনো প্যানেলেই মেধাক্রম সাজানো বা লটারির ফল বদলানোর ব্যবস্থা নেই — প্রতিষ্ঠানের প্যানেলেও না, আমাদেরটাতেও না। কর্মীরা শুধু অনুমোদিত, বাতিল বা বিবেচনাধীন সেট করতে পারেন। এই সীমাটাই প্রোডাক্ট।
কাদের জন্য
মধ্যম থেকে উঁচু সারির বেসরকারি স্কুল ও মাদ্রাসা, যারা নিজেরাই ভর্তি চালায়, নিজেরাই ফি ঠিক করে, আর কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠলে সুনামের ক্ষতিটাও নিজেরাই বহন করে। সরকারি ও এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান এর বাইরে।
এখন কোন অবস্থায়
আগামী ভর্তি মৌসুমের আগে Evorti প্রথম কয়েকটি প্রতিষ্ঠান নিয়ে গোছানো হচ্ছে। আপনার প্রতিষ্ঠান তাদের একটি হতে চাইলে আপনাদের নিজের বিজ্ঞপ্তির উপরেই ভর্তি কমিটিকে পুরো প্যানেল ঘুরিয়ে দেখাব।
আগামী ভর্তির মৌসুম অনলাইনে নিয়ে আসুন।
বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগেই আমরা আপনার ফরম, শ্রেণি, আসনসংখ্যা আর QR পোস্টার সাজিয়ে দিই। সেটআপে এক বিকেলের বেশি লাগে না, আর আপনার ভর্তি কমিটি আগের নিয়মেই কাজ চালিয়ে যেতে পারে।
আপনার নির্ধারিত আবেদন ফি ছাড়া অভিভাবককে Evorti-কে আর কিছু দিতে হয় না।
